ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

ঈদের পরও সবজির বাজারে স্বস্তি নেই, কমেছে মুরগির দাম

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ জুন, ২০২৬, ০২:১১ দুপুর

ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহার ছুটির পর রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি কিছুটা কমলেও সবজির দামে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় বেশিরভাগ সবজি এখনও তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিপ্রতি কমেছে।

শুক্রবার রাজধানীর শেওড়াপাড়া, তালতলা ও আগারগাঁওসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটির কারণে অনেক পাইকারি আড়ত ও সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি সচল হয়নি। ফলে বাজারে পর্যাপ্ত সবজি আসছে না, যার প্রভাব পড়েছে দামে।

বর্তমানে বাজারে করলা, পটল ও বরবটি কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ঢেঁড়স পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। কচুরমুখী বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া চিচিঙ্গা, বেগুন, কচুর লতি ও টমেটোর দামও তুলনামূলক বেশি রয়েছে।

কাঁচামরিচের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। আগের সপ্তাহের তুলনায় দাম কমে এখন প্রতি কেজি ৬০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর দামও কমেছে। এক হালি লেবু ৮ থেকে ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে ধনেপাতা, কাঁচা কলা ও কেপসিকামের দাম এখনও চড়া রয়েছে।

মুরগির বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি হাইব্রিডের দাম ২৮০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগি ৩২০ টাকা কেজি। এছাড়া দেশি মুরগি ও লাল লেয়ার মুরগির দাম তুলনামূলক বেশি রয়েছে।

শাকসবজির মধ্যে লাল শাক, কলমি শাক, পুঁই শাক ও ডাটা শাকের দাম আগের মতোই রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। ছোট আকারের ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং মাঝারি আকারের ইলিশ ২ হাজার টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রুই, মৃগেল, পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ও চিংড়ির দামও আগের অবস্থানেই রয়েছে।

ডিমের বাজারে প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। হাঁসের ডিম, দেশি মুরগির ডিম এবং সোনালি মুরগির ডিমের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে।

ঈদ-পরবর্তী ছুটির কারণে রাজধানীর বেশিরভাগ এলাকায় গরু ও খাসির মাংসের দোকান এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। ফলে এসব মাংসের বাজারে স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

Link copied!